মা ও কলেজের বন্ধুরা ১ম পর্ব

আমার নাম রাজ সরকার। বয়স বিশ। আমি আমাদের শহরের সবচেয়ে নামকরা কলেজে অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। আমি আমার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের কাছে আমি অত্যন্ত আদরের। বিশেষ করে মায়ের কাছে।

আমার বাবার নাম দেব সরকার। বয়স ৪৫। একজন সফল আইটি ইঞ্জিনিয়ার এবং বিজনেসম্যান। তার নিজস্ব একটা আইটি ফার্ম আছে। কাজের চাপে তিনি প্রায়ই ব্যস্ত থাকেন। কয়েকদিন আগে তিনি একটা বড় প্রজেক্ট নিয়ে দেশের বাইরে চলে গেছেন। সেখানে তাকে প্রায় এক বছর থাকতে হবে। বাবা চলে যাওয়ার পর বাড়িতে এখন শুধু আমি আর মা।

আমার মায়ের নাম শিলা সরকার। তার বয়স ৩৮ বছর। কিন্তু তার চেহারা দেখে কেউই বিশ্বাস করবে না যে তিনি একজন বিশ বছরের ছেলের মা। মা নিয়মিত ঘরোয়া ব্যায়াম করেন, সুষম ডায়েট মেনে চলেন। ফলে মা এই বয়সেও যথেষ্ট আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী দেখতে।

মা ও কলেজের বন্ধুরা ১ম পর্ব
মা ও কলেজের বন্ধুরা ১ম পর্ব

মায়ের গায়ের রং দুধে-আলতায় মেশানো ফর্সা। লম্বা কালো চুল, পাতলা ঠোঁট, আর বড় বড় চোখ। কিন্তু সবচেয়ে যা মাকে অসম্ভব সেক্সি করে তোলে তা হলো তার শরীরের গড়ন। বিশাল সাইজের গোলাকার দুধ জোড়া যা সবসময়ই টাইট ব্লাউজের ভিতরে দুলতে থাকে। আর তার পাছাটা বিশাল, থলথলে ও নরম যা হাঁটার সময় দুইদিকে দুলে দুলে ওঠে।

মাসখানেক আগে মা আমাদের কলেজেই অংকের প্রফেসর হিসেবে যোগ দিয়েছেন। আগে তিনি শহরের বাইরের একটা কলেজে পড়াতেন। কিন্তু যখন আমি এই কলেজে চান্স পেলাম তখন থেকেই মা চেষ্টা করছিলেন এখানে চলে আসার। বাবার রাজনৈতিক যোগাযোগের সুবাদে আমাদের কলেজের অংকের শিক্ষক অসুস্থ হয়ে চাকরি ছাড়ার পর মা এই পদটি পেয়ে যান এবং গত মাস থেকেই কলেজে যোগদান করেন।

শিক্ষিকা হিসেবে মা দুই ধরনের স্বভাবের। যারা পড়াশোনায় মনোযোগী তাদের সাথে তিনি খুবই নরম ও সহানুভূতিশীল আর যারা বখাটে প্রকৃতির তাদের প্রতি মা বেশ কড়া ও চরম স্বভাবের। কিন্তু কলেজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মায়ের সৌন্দর্য আর শারীরিক আকর্ষণ সবার মধ্যে একটা ঝড় তুলে দিয়েছে।

মা সাধারণত শাড়ির সাথে ম্যাচিং স্লিভলেস ব্লাউজ পরে কলেজে যান। শাড়ীতে মাকে যথেষ্ট সেক্সি লাগে। তার আবেদনময়ী চেহারা, আকর্ষণীয় শরীর, ভারী দুধ আর দুলকানো পাছা দেখে ছাত্র থেকে শুরু করে পুরুষ শিক্ষক সবাই যেন মাতাল হয়ে গেছে। মাত্র এক মাসেই মা কলেজের সবার নজরের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন। পিছনে পিছনে ছেলেরা তাকে দুধবতী, পাছাবতী ও মাগী চেহারার ম্যাডাম” ইত্যাদি গুপ্ত নামে ডাকা শুরু করেছে

আমার ক্লাসের বন্ধুরাও মায়ের ব্যাপারে কামুক মন্তব্য করতে ছাড়ে না। যদিও আমার সামনে তারা সেগুলো লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। তবু আমি সব বুঝতে পারি। এতে আমার মনে একটা জ্বালা অনুভব হয়। ছোটবেলা থেকেই মায়ের এই অতিরিক্ত সৌন্দর্যের কারণে সবার নজর পড়তে দেখেছি। তাই এখন অনেকটা সয়ে গেছে। কিন্তু এখন নিজের বয়সী ছেলেদের কামুক দৃষ্টি দেখলে আর আগের মতো সহজে মেনে নিতে পারি না।

মা এসব বুঝতে পারেন কি না জানি না। তিনি সবসময় স্বাভাবিক, হাসিখুশি ও পজিটিভ মানসিকতায় থাকেন। আর যদি বুঝেও থাকেন তাহলে তার মত আধুনিক মনোভাবের নারী স্বাভাবিক ভাবেই এসব নিয়ে তোয়াক্কা করবে না।

তবে শিক্ষিকা হিসেবে মা সত্যিই পারফেকশনিস্ট। তার পড়ানোর ধরন অসাধারণ। জটিল অংকের বিষয়গুলো তিনি এমন সহজ ও সুন্দর করে বুঝিয়ে দেন যে, যে কেউ সহজেই আয়ত্ত করে ফেলে। মাত্র এক মাসেই তিনি সব ছাত্রদের কাছ থেকে প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। যারা আগে অংকে খারাপ করত তারাও এখন আশার আলো দেখতে শুরু করেছে।

তারপরেও অংকে কয়েকজনের অবস্থান খুবই বাজে। গত দুইদিন আগে মা একটা ক্লাস টেস্ট নিয়েছিলো। তাতে কয়েকজন বাদে সবাই ভালো করেছিল। যারা খারাপ করেছিল মা তাদের কাছে সঠিক কারণ জানতে চেয়েছিল যে আসলে অংকে তাদের মূল সমস্যাটা কি।

তো সবারই একটা কমন কারণ ছিল যে সঠিক গাইডলাইনের অভাব। তাই প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে আলোচনা করে মা বাছায় করা কিছু ছাত্রদের কলেজ শেষে এক্সট্রা কোচিং করানোর সিদ্ধান্ত নেই। এখানে শুধুমাত্র অংকে দূর্বলরাই অংশগ্রহণ করতে পারবে। তো মায়ের এই এক্সট্রা কোচিং এর বিষয়টা আমার একদমই পছন্দ হয়েছিল না। তাই বাড়ীতে ফিরে এই নিয়ে মায়ের সাথে আলোচনা করতেই মা জানাল যে- দেখ রাজ ওরা সত্যিই অংকে খুব পিছিয়ে আছে..আমি যদি একটু সময় দিয়ে ওদের গাইড করি তাহলে ওদের অনেক উপকার হবে..কলেজ শেষে মাত্র এক ঘণ্টাই তো লাগবে..এক ঘন্টায় যদি ওরা উপকৃত হয় তাহলে দোষের কি।

মায়ের পজেটিভ ভাবনাতে আর কোন কথা বলার উপায় থাকলো না। তবে ভয় একটাই যে মা যাদের এক্সট্রা ক্লাস করাবেন তারা কেউই খুব একটা সুবিধার না। সবকটা বখাটে। তো আজকে মা একটা কলাপাতা কালারের সুতির শাড়ীর সাথে ম্যাচিং স্লিভলেস পরেছে। মাকে অসম্ভব লাস্যময়ী লাগছিল। আজ থেকেই মায়ের সাথে সমস্ত বখাটেদের এক্সট্রা ক্লাস শুরু হবে। না জানি ওরা সবগুলো একসাথে বসে মায়ের দিকে কেমন নজর দিবে আর কি কি আলোচনা করবে।

তো কলেজে পৌঁছাতে দেখলাম সবার কামুক ভরা নজর মায়ের উপর পড়তে লাগলো। তারপর মা যখন ক্লাসে এলেন তখন আমার পিছনের সিটে বসা নীল রায় চৌধুরী ফিসফিসিয়ে বললো- উফফ  ম্যাডামকে আজ যা লাগছে না..পুরোই দেশি নীল ছবির নায়িকা।

নীলের একথা শুনে তার দুই সহযোগী নারায়ন দাস ও জয় বিশ্বাস হো হো করে হেসে উঠলো। তা ফিসফিসানি টা আমার কানে আসতেই আমি কড়া নজরে ওদের দিকে তাকাতেই ওরা উপর দিকে মুখ করে এমন ভান করলো যে ওরা কিছুই বলে নি। পুরো কলেজের অধিকাংশ ছাত্ররাই ওদের তিনজনের থেকে দূরত্ব বজায় রাখে। ওদের মত বখাটে আর গুন্ডা প্রকৃতির ছাত্র এই কলেজে আর কেউ নেই। নীলের বাবা এখানকার লোকাল এমপি হওয়ায় কেউ তার সাথে পাঙ্গা নিতে চাই না।

তো মা তার ক্লাস শেষ করেই একটা চিরকুট বের করে সেখানে থাকা কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের দাঁড়াতে বললো। তাদের ভিতর নীল, নারায়ন ও জয়ও ছিল। তো তারা দাঁড়াতেই মা তাদের উদ্দেশ্য বললো- এই ক্লাসে সবথেকে তোমাদের অংকের ফলাফল খুব বাজে..তাই প্রিন্সিপাল স্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিদিন কলেজ শেষে তোদের এক্সট্রা এক ঘন্টার ক্লাস নিবো..তোদের যার যা সমস্যা যেগুলো বুঝতে কষ্ট হয় সব আমাকে সেখানে খুলে বলবি..এতে করে তোদের শেখানো আমার জন্য সহজ হবে।

নীল তখন বলে উঠলো- ম্যাডাম কিছু বলতে পারি?

মা- হ্যা অবশ্যই।

নীল- তা ম্যাডাম এক্সট্রা ক্লাস তো এই কারণেই নিবেন যে আমরা যেনো অংকের দূর্বলতা কাটাতে পারি?

মা- হ্যা।

নীল- আমার মনে হয় না ম্যাডাম এতে কোনো ফল পাওয়া যাবে..কারণ আগের শিক্ষকও কিন্তু দূর্বলতা কাটানোর জন্য এক্সট্রা ক্লাস শুরু করেছিল..কিন্তু তিনি এক্সট্রা কোন পরিশ্রম না করে ক্লাসে যেরকম পড়াতো সেখানেও ঠিক তেমনই ছিল..যার ফলে নরমাল ক্লাস আর এক্সট্রা ক্লাসে আমরা কোনো পার্থক্য পেয়েছিলাম না।

নীলের কথাতে বাকি যারা দাঁড়িয়ে ছিল তারাও হ্যা হ্যা বলে সমর্থন দিতে লাগলো। মা তখন বললেন- তোর নাম তো নীল তাইনা?

নীল- জ্বি ম্যাডাম।

মা- দেখ তোদের কথা শুনে মনে হচ্ছে তোদের শেখার ইচ্ছে আছে..তোদের আগের স্যার কেমন ছিল সেটা জানি না..তবে এটুকু গ্যারান্টি দিতে পারি যে আমি কোচিং এ তোদের সব সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করবো..কয়েকটা দিন কোচিং এ এসে পর্যবেক্ষণ কর..যদি কোনো উন্নতি না করাতে পারি তোদের.. তাহলে আমি আমার শিক্ষকতা পেশাটা ছেড়ে দিব।

নীল- এ কি বলছেন ম্যাডাম..এই এক মাসে যতটুকু আপনার কাছ থেকে শিখেছি তাতে বলা বাহুল্য যে আপনি আগের শিক্ষকের থেকে হাজারগুণে বেটার..তাই আমাদের এটুকু বিশ্বাস রয়েছে যে আপনার কোচিং এ নিশ্চিত আমরা আমাদের দূর্বলতা কাটাতে পারব।

মা- এইতো গুড বয়ের মতো কথা..তাহলে আজ থেকে ক্লাস শেষে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে সবাই থাকবি।

এটা বলেই মা ক্লাস শেষ করে চলে গেলেন। নীলের এরকম কনফিডেন্স হয়ে কথা বলাতে মনে হলো সে সত্যি অংকে দূর্বলতা কাটাতে চাই। তবে যেদিন থেকে মা এখানে যোগদান করেছে সেদিন থেকে তার মায়ের প্রতি কামুক নজর ও পেছনে পেছনে বিদ্রুপ মন্তব্যে তার প্রতি সন্দেহর সৃষ্টি হয়।

তো ক্লাস ব্রেকে সবাই এদিক ওদিক আড্ডা মারছিলাম। আমি তখন আমার দুইজন ক্লাসমেটের সাথে গল্প করতে করতে ক্লাসরুমের পিছন দিকে আসতেই দেখলাম নীল, জয় আর নারায়নকে হেসে হেসে গল্প করছে। ওদের কিছু কথা আমার কানে আসলো। তবে ওরা আমাকে খেয়াল করে নি যে আমি ওদের আশেপাশেই আছি। কারণ আমাদের আশেপাশে আরো অনেকেই ছিল।

তো প্রথমে জয়ের কথা কানে এলো। সে বললো- কিন্তু ভাই পারবি তো?

ওরা কি নিয়ে কথা বলছে বুঝতে পারলাম না। জয়ের কথার উত্তরে নারায়ন বললো- আরে পারবে না কেন? দেখলি না কিভাবে নীল ক্লাসরুমে সবার মধ্য থেকে ম্যাডামের নজর নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়েছিল।

নারায়ণের কথা শুনে আর বুঝতে বাকি রইলো না যে তারা আমার শিক্ষিকা মাকে নিয়েই আলোচনা করছে। তো নীল তখন বলে উঠলো- দেখিস নি কলেজে থাকাকালীন নিশা ম্যাডামকে নিয়ে কিভাবে খেলেছিলাম..এবার পালা শিলা ম্যাডামের।

নারায়ন- কিন্তু ভাই সেটা সাধারণ কলেজ ছিল আর এটা দেশের সবথেকে সুনামধন্য কলেজ আর শিলা ম্যাডাম কিন্তু নিশা ম্যাডামের মত সাধারণ কোন মহিলা না..একাধারে তিনি একজন শহরের সবথেকে ধনী পরিবারের মহিলা আর উচ্চশিক্ষাতা..তাছাড়া আমাদের বয়সী তার একটা ছেলেও রয়েছে..এত সহজে মনে হয় না শিলা ম্যাডাম পটবে।

নীল- কথাগুলো ঠিক বলেছিস..কিন্তু অতিরিক্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে যে জিনিস পাওয়া যায় সেটার মজাই আলাদা..শিলা ম্যাডামকে পেতে হলে ধৈর্য ও পরিশ্রম করা লাগবে..অযথা উত্তেজনার বশে কিছু করা যাবে না।

জয়- তবে দোস্ত আমার কিন্তু তর সয়ছে না..কবে যে শীলা ম্যাডামকে নিয়ে খেলব।

নারায়ন- হবে রে শালা ধৈর্য ধর..নীল থাকতে সমস্যা কিসের আমাদের।

ওদের তিনজনের কথা শুনে আমার পায়ের তল থেকে মাটি সরে যাওয়া মত অবস্থা হলো। এই বয়সে ওরা ওদের ক্লাসমেটের মাকে নোংরা পরিকল্পনা করছে। এত সাহস ওদের। মনে হলো এক্ষুনি গিয়ে তিনজনকে ইচ্ছেমত পিটাই। কিন্তু অনেক কষ্টে নিজেকে সামলালাম।  কারণ ওরা যতই পরিকল্পনা করুক না কেন, ওদের বয়সী ছেলের দ্বারা মাকে পটানো অসম্ভব। মা শুধুমাত্র বাবাকেই মন প্রাণ উজাড় করে ভালবাসে। অনেক লোকই মাকে পটানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কখনো মা সেটাকে সফল হতে দেই নি।

তো বাকি ক্লাসগুলো করে কলেজ ছুটি হতেই মা আমাকে বাড়ী চলে যেতে বললো। কিন্তু আমি জিদ ধরলাম যে আমি মায়ের সাথেই একসাথে যাব। মা তখন বললেন- অযথা জিদ ধরিস না বাবু..আমার এক ঘন্টা সময় লাগবে কোচিং শেষ করতে..এই এক ঘন্টা তুই কি করবি?

আমি- আমিও না হয় তোমাদের সাথেই ক্লাস করি।

মা- একদম না..ওখানে ব্রিলিয়ান্ট কেউ থাকুক আমি চাই না..ওটা শুধু দূর্বলদের জন্য।

আমি- তাহলে আমি কলেজের বাইরে অপেক্ষা করছি।

মা- একদম না..এতক্ষণ ধরে অযথা অপেক্ষা করার কোন প্রয়োজন নেই..তুই সোজা বাড়ী যা..আমি কোচিং শেষ করেই চলে আসবো।

আমি আর কথা বাড়াতে পারলাম না। তৎক্ষনাৎ সোজা বাড়ী ফিরে গেলাম। প্রায় দেড় ঘন্টা পর মা ও বাড়ী ফিরলো। মাকে তার প্রথমদিনের কোচিং এর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতেই তিনি জানালেন যে, প্রথমদিনের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো..সবার শেখার খুব ইচ্ছে..এতদিন সঠিক গাইডলাইন পায় নি বলে তারা অংকে দূর্বল..তবে এখন মা তার স্টাইলে সবাইকে পড়িয়ে অংকে পাকা করে দিবে।

মা হয়তো বুঝতে পারে নি যে তারা পড়াশোনার থেকে মায়ের প্রতি বেশি ইন্টারেস্টেড। মাকে ইমপ্রেসের জন্যই তারা পড়ার ভান ধরছে। তারপরও এই বাহানাতে যদি তারা কিছু শেখে এতে মা অনেক খুশি হবে আর মা খুশি মানে আমি খুশি।

এভাবেই সপ্তাহ খানেক কেটে গেল। মা কোচিং এ তাদের সুন্দর করে সব বুঝিয়ে দিত আর সবাই যেটা বুঝতো না সেটা নিয়ে মন খুলে মাকে প্রশ্ন করতো। যেটা তারা ক্লাসরুমে করতে পারতো না। তো এই সপ্তাহখানেকে অনেকে অংকে কিছুটা দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠে। বিশেষ করে নীল, জয় আর নারায়ন। কয়েকজনের কাছে শুনেছি তারা নাকি কোচিং এ বেশ মনোযগী আর এতে করে সবার থেকে মায়ের নজর তাদের দিকে একটু বেশি। তাদের শেখার উৎসাহ দেখে মা ও নাকি তাদের উপর বেশ খুশি। যেটা ক্লাসরুমেও প্রমাণ পায়।

তা দুইদিন আগে মা তার কোচিং এর ছেলেদের একটা টেস্ট নিয়ে আজ ক্লাসরুমে সবার সামনে সেই টেস্টের রেজাল্ট ঘোষণা করলো। সবাই অংকে মোটামুটি ভালোই করেছে। তবে নীল, জয় আর নারায়ন অন্যদের থেকে বেশি ভালো করায় মা তাদের সংবর্ধনা জানাল আর আরো উন্নতি করার জন্য উৎসাহ দিলো।

পরেরদিন কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। তাই সকাল বেলা নাস্তা করে মা ও আমি মার্কেটে গেলাম বাজার করতে। মা একটা নীল জর্জেট শাড়ীর সাথে ফুল স্লিভ ম্যাচিং ব্লাউজ পরে ছিল। তো কেনাকাটা করার পর বাজারের ভিতর নীলকে দেখতে পেলাম। নীল কে দেখেই মা নিজে থেকেই তাকে ডেকে নিলো। নীল এসে মাকে “নমস্কার” জানাতেই মা হাসিমুখে বললেন- বাজার করতে এসেছিস?

নীল- জি ম্যাডাম..আসলে আমি টাটকা সবজী খেতে পছন্দ করি..তাই ছুটির দিন সকালে বাজারে এসে বেছে বেছে সবজী নিয়ে যায়।

মা- ভালো তো..সবজী খেলে বুদ্ধি বাড়ে..তা বেশি বেশি সবুজ সবজী খাবি।

নীল- জ্বি ম্যাডাম ঠিক বলেছেন।

তারপর সে নিচে চোখ মায়ের হাতের দিকে তাকিয়ে বললো- তা ম্যাডাম আপনিও তো দেখছি অনেক সবজী নিয়েছেন..আপনারাও নিশ্চয়ই সবজী অনেক পছন্দ।

মা হাসতে হাসতে বললেন- হ্যা ঠিকই ধরেছিস..সবজি ছাড়া আমার একদমই চলে না।

নীল কোনো কথা না বলে একইভাবে মায়ের হাতের দিকে তাকিয়ে রইলো। আমিও তখন সেদিকে তাকাতেই বুঝতে পারলাম তার চোখটা আসলে মায়ের হাতা থাকা সবজির দিকে না। মায়ের পেট থেকে শাড়ীর কিছু অংশ সরে মায়ের গভীর নাভীটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। নীল সবজি দেখার বাহানাতে সেখানেই তাকিয়ে রয়েছে। নীলের নোংরা নজর বুঝতে পেরে শরীরটা জ্বলে গেল। কিন্তু মা এসবের কিছুই টের পেলো না।

মা তখন বললেন- তা ছুটি বলে কি পড়াশোনাতে গাফিলতি হচ্ছে না তো?

মায়ের কথায় সে চোখ তুলে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বললো- না না ম্যাডাম..সকালে উঠেই কাল কোচিং এ যেই অংকগুলো করিয়েছিলেন সেগুলো প্রাকটিস করছিলাম।

মা- ওহ গুড বয়..তা অংকের পাশাপাশি কিন্তু অন্য বিষয়গুলো নিয়েও ঘাটাঘাটি করবি..যেন কেউ বলতে না পারে যে শিলা ম্যাডাম এসে সবাইকে শুধু অংকের প্রতিই দিওয়ানা বানিয়ে দিয়েছে।

নীল- না না ম্যাডাম এমন কিছু না..আমি সব বিষয়গুলো নিয়ে চর্চা করি।

মা- তা অনেক ভালো লাগলো তোর পড়াশোনার উৎসাহ দেখে..তা তোর সাথের দুইজন কোথায়?

নীল- ওরা ওদের বাড়ীতে পড়াশোনা করছে।

মা- গুড..তোরা তিন বন্ধুই গুড বয়..তাহলে কাল কলেজে দেখা হবে।

এই বলে আমরা সামনের দিকে হাঁটা শুরু করতেই নীল বললো- ম্যাডাম।

মা আবার পিছন ফিরে বললেন- হ্যা বল।

নীল- আসলে ম্যাডাম কিভাবে বলবো..যদি রাগ করেন?

মা- তোদের তো আগেই বলেছি আমি অন্য শিক্ষকদের মত না..পড়াশোনার ব্যাপারে আমাকে বন্ধু ভেবে যে কোন প্রশ্ন হাজার বার করতে পারিস..তাতে রাগ করবো না।

নীল- আসলে ম্যাডাম আপনার পার্সোনাল মোবাইল নাম্বারটা প্রয়োজন।

নীলের সরাসরি মায়ের মোবাইল নাম্বার চাওয়াতে আমি ও মা দুইজনই খুব অবাক হলাম। তার সাহস আছে বলতে হবে। মা তখন একটু কপাট রাগ দেখিয়ে বললেন- কেনো রে দুষ্ট আমার নাম্বার কেনো প্রয়োজন? আমি আমার ব্যাক্তিগত নাম্বার কাউকে শেয়ার করি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *